কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ০৪:৩৫ PM

ইতিহাস

কন্টেন্ট: পাতা

ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউট, চট্টগ্রাম এর পরিচিতি

 

পটভূমি:নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। নদীই এ দেশের প্রাণ। এ নদীর সূত্র ধরেই বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানীর আদি বাহন ছিল নাবিক সম্প্রদায়।  প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিশ্বের আমদানী ও রপ্তানী  বাণিজ্যের প্রায় নববই শতাংশই পরিচালিত হয় সামুদ্রিক জাহাজের মাধ্যমে।  সময়ের প্রয়োজনে এবং আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রযুক্তিগত উন্নতির কারণেনৌ-শিল্প দ্রতগতিতে উন্নত থেকে উন্নতর হচ্ছে। আর তা সম্ভব হচ্ছে নৌ-কর্মকর্তা ও নাবিকদের পেশাগত দক্ষতা, কর্মনৈপুণ্যতা ও নৌবহর পরিচালনার পারদর্শিতার উপর, যা তাদের অত্যন্ত শৃংখলা ও নির্দিষ্ট সময়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। এ দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে সামনে রেখে ১৯৫২ সালে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউটের শুভ সুচনা ঘটে। প্রশিক্ষণার্থী  নাবিক(রেটিং) ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীদের ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউট আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থার(IMO’র) Standards of Training, Certification & Watchkeeping for Seafarers (STCW)-1978 as amended conventionমোতাবেক প্রণীত সিলেবাস অনুযায়ী(নাবিকদের) প্রশিক্ষণ প্রদান করে সমুদ্রগামী জাহাজে চাকুরী করার উপযোগী(Human resource development in maritime sector) করে গড়ে তোলে । এ ইন্সটিটিউট হতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত রেটিং(নাবিক)গণ দেশী-বিদেশী সমুদ্রগামী জাহাজে চাকুরী করে উল্লেখ্যযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে ; যা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

আমাদের দেশের সমুদ্রগামী সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজ এবং বিদেশী অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউট হতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত রেটিং(নাবিক)দের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তাঁরাই আমাদের জাতীয় পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সারা বিশ্বের বন্দর হতে বন্দরে নিয়ে যাচ্ছে। এ কাজের মাধ্যমে তারা প্রত্যেকে বহির্বিশ্বে আমাদের দেশের একজন দূত (এম্বাসেডর) হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

 

কার্যক্রমঃ ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউটে ২ (দুই) ধরণের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যথাঃ (১) সমুদ্রগামী জাহাজে যোগদানের পূর্বে পরিচালিত কোর্স অর্থাৎ প্রি-সী কোর্স এবং (২) যে সকল নাবিক ও অফিসার জাহাজে কর্মরত আছেন তাঁদের দক্ষতা ও পদোন্নতির জন্য পরিচালিত কোর্স অর্থাৎ পোস্ট-সী বা এনসিলিয়ারী কোর্স ।

 

রূপকল্প (Vision):

 

আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থা (IMO) এর এসটিসিডাব্লিউ-১৯৭৮ এবং সংশোধিত কনভেনশন এবং অন্যান্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিধি-বিধান মোতাবেক নৌ-শিক্ষা বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

 

 

অভিলক্ষ্য (Mission):

 

বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রি-সী ও পোষ্ট-সী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে নৌ-জনশক্তি হিসাবে গড়ে তুলে নিরাপদ ও দক্ষতার সাথে জাহাজ পরিচালনার জন্য বিশ্ব নৌ-বহরে রেটিং(নাবিক) সরবরাহ উপযোগী করা। 

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন